২২শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ. ৬ই জুলাই, ২০২০ ইং

সাংবাদিককে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিকদের মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া যুবলীগের আহবায়ক ও পৌর মেয়র তাকজিল খলিফা কাজলকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার ব্রাহ্মণবাড়িয়াস্থ স্টাফ রিপোর্টার জাবেদ রহিম বিজনকে হত্যার হুমকি এবং পত্রিকা আগুনে পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ক্ষুব্দ সাংবাদিকরা।

সকাল পৌণে ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

এতে জেলার সর্বস্তরের সাংবাদিকগন অংশ নেন। প্রতিবাদ সমাবেশে কসবা-আখাউড়ার(ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪) সংসদ সদস্য এবং আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট আনিসুল হককে সন্ত্রাসীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় না দেয়ারও আহবান জানান জেলার সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। সংগঠনের সভাপতি মনজুরুল আলমের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক নজরুল ইসলাম শাহজাদার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি খ.আ.ম রশিদুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আরজু, সিনিয়র সহ-সভাপতি আল আমিন শাহিন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন জামি, দৈনিক সমকালের ষ্টাফ রিপোর্টার আব্দুন নূর, সাংবাদিক কাউছার এমরান, সিনিয়র সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদ আকরাম, মো: মনির হোসেন, শিহাব উদ্দিন বিপু, উজ্জল চক্রবর্তী, শফিকুল ইসলাম, আশুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, আখাউড়া টিভি জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি মাসুক হ্নদয় প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, মেয়র কাজলের দুর্নীতি-অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক বিজনকে হত্যার হুমকি দিয়েছে তার সাঙ্গপাঙ্গরা। কয়েক’শ মানবজমিন পত্রিকা পুড়িয়ে ফেলেন। সন্ত্রাসীদের এই তৎপরতা পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্য উদ্বেগজনক জানিয়ে তারা বলেন-ঘটনার ১১দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত হত্যার হুমকিদাতা এবং পত্রিকা পুড়ানোর সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এডভোকেট আনিসুল হকের প্রতি সন্ত্রাসীদের প্রতি আশ্রয়-প্রশ্রয় না দেয়ারও আহবান জানান।

তারা বলেন, মন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে কাজল নানা অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন। তার ভয়ে আখাউড়ার মানুষ তটস্থ। পরে এক বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে পুনরায় প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।

পৃথক ঘটনায় ২ জন খুন