১৩ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ. ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং

দুই হাজার কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ

 

স্টাফ রিপোর্টার:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে উন্নয়ন সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় শতকরা ৫০ ভাগ ভর্তুকি মূল্যে ৫জন কৃষককে ৫টি কম্বাইন হারভেষ্টার মেশিন ও ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে উফশী আউশ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রনোদণা কর্মসূচীর আওতায় সদর উপজেলার দুই হাজার কৃষককে বিনামূল্যে ধান বীজ ও সার প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী কৃষকদের হাতে এই সার, বীজ ও কম্বাইন হারভেষ্টার মেশিনের চাবি তুলে দেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পঙ্কজ বড়–য়ার সভাপতিত্বে সার, বীজ ও কম্বাইন হারভেষ্টার মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম.এ. এইচ মাহবুব আলম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার মুন্সী তোফায়েল হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেন, বর্তমানে কৃষি খাতকে আধুনিকায়নের কাজ চলছে। ১৭ কোটি মানুষের দেশে খাদ্য যোগানের জন্য কৃষির আধুনিকায়ন খুবই জরুরী। কৃষক ও কৃষির উন্নয়নের জন্য সরকার কৃষিখাতেদ ভর্তুকি দিচ্ছে। কৃষকদেরকে শতকরা ৫০ ভাগ ভর্তুকি মূল্যে কম্বাইন হারভেষ্টার মেশিন ও বিনামূল্যে সার ও বীজ প্রদানসহ বিভিন্ন ধরনের কৃষি উপকরণ দিচ্ছে। তিনি বলেন, সরকার কৃষকদের ভাগ্যের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছে।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, গত ২৮ মার্চ হেফাজতের তান্ডবের সময় মাদরাসার ছাত্ররা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন, পৌর সভা কার্যালয়, ভূমি অফিসসহ সরকারি, বে-সরকারি প্রায় অর্ধশতাধিক স্থাপনা ভাংচুর ও আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে। সেবাদানকারী সংস্থাগুলো ভাংচুর ও পুড়িয়ে দেয়ায় জনগনের ভোগান্তি বেড়েছে। তিনি ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ডের নিন্দা জানিয়ে বলেন, হেফাজত যে কাজগুলো করেছে তা ইসলাম সম্মত নয়। এতে তাদের লজ্জা হওয়া উচিত।

একই অনুষ্ঠানে র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি সদর উপজেলার ১৬২জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭লাখ ৮৩ হাজার ৯শত টাকা চেক এবং ১৭জন শিল্পীর প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অনুদানের চেক তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদর উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগন ও উপকারভোগী কৃষকগন উপস্থিত ছিলেন।