২৯শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ. ১২ই এপ্রিল, ২০২১ ইং

দুই ব্যক্তিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে কৃষি জমি কেটে পুকুর বানিয়ে সেখান থেকে বালু উত্তোলনের ঘটনায় দুইজনকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন। আলী আহম্মদ ও জব্বার মিয়া নামে দুই ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা করে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত সাতটি খনন যন্ত্র ( ড্রেজার) বিকল করে দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট কে.এম. ইয়াছির আরাফাত ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত এই অভিযান পরিচালনা করেন।

উপজেলা প্রশাসন ও ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন বালু উত্তোলন বন্ধের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিলে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে.এম.ইয়াছির আরাফাত ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে পৃথক পৃথক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।

দুপুরে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে পাহাড়পুর গ্রামে বালু উত্তোলনের দায়ে আলী আহমদ নামে বালু চক্রের এক সদস্যকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

অপরদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে.এম. ইয়াছির আরাফাত বিকেল বালু উত্তোলন বন্ধে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় তিনি উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের বুল্লা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুটি খননযন্ত্র ও একই ইউনিয়নের চেংগাপাড়া গ্রামের বালু ব্যবসায়ী জব্বার মিয়াকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান বলেন, উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় খননযন্ত্রের মাধ্যমে কৃষি জমি থেকে একটি চক্র বালু উত্তোলন করে আসছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার পাহাড়পুর এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ ভঙ্গ করায় আলী আহম্মদকে ৫০হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং পাহাড়পুর এলাকার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে চারটি খননযন্ত্র ড্রেজার) বিকল করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম. ইয়াছির আরাফাত বলেন, আমাদের অভিযানের কথা জানতে পেরে বালু চক্রের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে সরে পড়েন। অনেক জায়গায় গিয়ে তাদের পাওয়া যায়নি। অভিযানে তিনটি খননযন্ত্র বিকল করা হয়। আর অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৪ ধারায় বুল্লা গ্রামের বালু ব্যবসায়ী জব্বার মিয়াকে ৫০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

৪৯ মামলায় আসামী ৩৫ হাজার,…