Advertisement

জীবন মেরে ফেলা কারোরই কাঙ্খিত নয়, রেলস্টেশনের কাজ দ্রুত শুরু হবে  – বিজিবি মহাপরিচালক

NewsBrahmanbaria

এই আর্টিকেল টি ৩১৪।

স্টাফ রিপোর্টার

বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান বলেছেন, ‘কোন একটা জীবন মেরে ফেলুক এটা কারোরই কাঙ্খিত না। তারাও (বিএসএফ) চায় না, আমরাও চাই না। সবাই চায় সীমান্ত হত্যা কতটা নীচে নামিয়ে আনা যায়।’
বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিজিবি প্রধান বন্দর পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তিনি কসবায় যান।

তিনি আরো বলেন, ‘ডিজি লেভেলের সম্মেলনে আমরা অনেক ধরনের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করি। সেই আলোচনায় আমরা অনেক সমস্যার সমাধান করছি। এগুলো (সীমান্ত হত্যা) আরো বেশি হতে পারতো। এগুলো আমরা কমিয়ে নিয়ে আসছি। তবে আমাদের চেস্টা থাকবে সীমান্ত হত্যা আরও কতটা নীচে নামিয়ে নিয়ে আসতে পারি। ‘

বিএসএফ এর বাঁধায় আখাউড়া ইমিগ্রেশন ভবন এবং কসবা রেলওয়ে স্টেশন এবং সালদা নদী সেতু নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে এ প্রসঙ্গে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, ‘ইমিগ্রেশন ভবনের বিষয়টি তাঁর জানা নেই। কসবা স্টেশন এবং সালদা নদী সেতুর বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ পর্যায়ে চেস্টা করছি। আমি দায়িত্ব নেয়ার পর বিএসএফের সাথে যোগাযোগ করেছি।
আশা করছি খুব দ্রুত কাজ শুরু হবে।’

তিনি বলেন, ‘মাদক বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীও জিরো টলারেন্স নীতির কথা বলেছেন। সেভাবেই আমরা কাজ করছি।’ মাছ গিয়ে মাদক আসাটা অনাকাঙ্খিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এদিকে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ. কে. এম নাজমুল হাসান বলেছেন, কসবা রেলওয়ে স্টেশনের কাজ একটি জাতীয় প্রজেক্ট। তবে সীমান্তের দেড়শ গজের মধ্যে পড়ে যাওয়ায় কাজটিতে বিএসএফ এর অবজেকশন রয়েছে। তবে সমস্যাটি সমাধানে আমরা সর্বোচ্চ পর্যায়ে চেস্টা করছি। আমি দায়িত্ব নেয়ার পর বিএসএফের সাথে যোগাযোগ করেছি। আশা করছি খুব দ্রæত কাজ শুরু হবে।’

তিনি আজ বুধবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা রেলওয়ে স্টেশন প্রকল্প, আখাউড়া স্থলবন্দর, আখাউড়া আইসিপিও বিওপি কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ‘ এছাড়াও সীমান্ত হত্যা কমিয়ে আনতে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। পরিদর্শনকালে তার সাথে বিজিবির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

Advertisement

Sorry, no post hare.

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com