৪ঠা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ. ১৭ই এপ্রিল, ২০২১ ইং

বিএনপি আহবায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

স্টাফ রিপোর্টার:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার বিএনপির নব-গঠিত আহবায়ক কমিটিকে অবৈধ দাবি করে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা করেছে উপজেলা বিএনপির একাংশের নেতা-কর্মীরা।

উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন ও সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ আক্তার হোসেনের নেতৃত্বে সোমবার বিএনপির বিক্ষুব্দ নেতা-কর্মীরা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ও সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ আক্তার হোসেনের নেতৃত্বে সরাইল পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে গিয়ে পথ সভায় মিলিত হয়।

পরে উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পথসভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ জহির উদ্দিন আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক আজমল হোসেন ছোটন ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সম্পাদক আব্দুল জব্বার।

সভায় বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, মোটা অংকের লেনদেনের মাধ্যমে দল ত্যাগী ও বহিস্কৃত নেতাদের দিয়ে নতুন আহবায়ক কমিটি করা হয়েছে। আমরা এই কমিটি মানি না, মানব না।

তারা বলেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক জিল্লুর রহমান নিজের ইচ্ছামত আইন তৈরী করে নিজের স্বার্থ হাসিল করে কমিটি দিয়েছেন। তিনি সরাইলের শান্ত বিএনপিকে অশান্ত করছেন।

তারা বলেন, ২০১৯ সালের ১৯ মার্চ আনিছ ঠাকুর দল থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। ২০১৯ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তপু দল থেকে পদত্যাগ করেন এবং ১৯ মার্চ তাকে দল করেছে বহিস্কার করা হয়।

তাদের নেতৃত্বাধীন কমিটিকে সরাইলে উঠতে দেয়া হবে না। তার ঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবি জানান।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে মোঃ আনিছুল ইসলাম ঠাকুরকে আহবায়ক ও অ্যাডভোকেট নূরুজ্জামান লস্কর তপুকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি ঘোষনা করা হয়।

এ ব্যাপারে নব-গঠিত কমিটির আহবায়ক মোঃ আনিছুল ইসলাম ঠাকুর বলেন, দলীয় কিছু লোক আবেগে মিছিল করছেন। আমরা মঙ্গলবার দলের সকলকে নিয়ে আনন্দ মিছিল করবো। এক সময় রাগ থাকবে না। তিনি বলেন, আমি দল থেকে নয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলাম। পদত্যাগ পত্রটি জেলা কমিটি গ্রহন করেনি।

এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃ জিল্লুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দলকে সংগঠিত করতে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে কথা বলে নবীন প্রবীণের সমন্বয়ে ৩১ জনের কমিটি দিয়েছি। অনেকেই কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন। তারা ক্ষুদ্ধ হতেই পারেন। তিনি বলেন, টাকা লেনদেনের কথা বলে আমাকে সামাজিকভাবে অসম্মানিত করা হচ্ছে।