৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ. ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর অভিযান শুরু

স্টাফ রিপোর্টার:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবরোধে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ঘরে না থেকে যারা অহেতুক ঘর থেকে বের হবেন তাদের প্রতি আরো কঠোর হবেন বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন। তিনি বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবারে একথা বলেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান আরো বলেন, আমরা জন সাধারনকে সরকার ঘোষিত আইন মানার জন্যে বার বার বলছি। অকারনে কেউ যদি শহরে বের হয় তাকে আইন মানতে বাধ্য করা হবে। পর্যায়ক্রমে আমরা আরো কঠোর হবো।

এদিকে গত দু’দিন ধরে শহরে লোক সমাগম বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে একাধিক ম্যাজিষ্ট্রেটসহ সেনাবাহিনীর দুইটি টিম মাঠে নামেন। এ সময় তারা শহরের পুরাতন কাচারি পাড় এলাকায় রিক্সা, মোটর সাইকেল, প্রাইভেটকার যাত্রী চালক সহ পথচারিদেরকে মাস্ক পরাতে বাধ্য করেন। এ সময় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মাস্ক ছাড়া অহেতুক বাড়ি থেকে বের হওয়া পাঁচ পথচারীকে জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালতের দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট প্রশান্ত কুমার বৈদ্য জানান, আমাদের সাথে সেনাবাহিনী ও জেলা পুলিশের সদস্যরা কাজ করছেন। আমরা মাঠে রয়েছি। তিনি বলেন, আমরা প্রথমে সরকারি নির্দেশনা মানার জন্যে মানুষকে বুঝাচ্ছি। যারা বুঝানোর পরেও সরকারি নির্দেশনা অমান্য করছেন তাদের বিরুদ্ধে ভ্রামমান আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী আমাদের একাধিক টীম ৩১টি মামলায় ৩৭ হাজার চারশত টাকা জরিমানা করেছে।

এদিকে কুমিল্লা সেনানিবাসের অধীনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দায়িত্বে থাকা ক্যাপ্টেন জেমস্ মাহমুদ রাজ্জাক জানান, সরকারী নির্দেশ অমান্য করায় পাশপাশি অহেতুক শহরে বের হওয়ার কারণে জনসমাগম সৃষ্টি হচ্ছে। জন সাধারনকে সচেতনতার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় আইন অমান্য করায় জরিমানা করা হচ্ছে। তিনি জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেনাবাহিনীর দুটি টিম কাজ করছে। পর্যায়ক্রমে আরো সেনা সদস্য বাড়ানো হবে।