Advertisement

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাম শক্তির মানববন্ধন-বিক্ষোভ মিছিল

NewsBrahmanbaria

এই আর্টিকেল টি ৯৪৫।

স্টাফ রিপোর্টার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় “ রাস্তা আছে যেখানে রিকসা চলবে সেখানে, রিকসা যার লাইসেন্স তার” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে পৌর এলাকাসহ আশপাশ এলাকার রিকসা চালকদের লাইসেন্স ও চলাচলের অধিকার, পৌরসভা কর্তৃক ব্যাটারি চালিত রিকসার লাইসেন্স ফি ৫শ টাকা, পায়ে চালিত রিকসার লাইসেন্স ফি ৫০ টাকা এবং রিকসা চালকের লাইসেন্স ফি ২শ টাকা, প্রত্যেক জনবহুল এলাকায় রিকসা স্ট্যান্ড স্থাপন, শহরের যানজট নিরসনের জন্যে মৌলভীপাড়া-পুনিয়াউট বাসষ্ট্যান্ড পর্যন্ত রাস্তা প্রশস্তকরন ও মেড্ডা থেকে ভাদুঘর পর্যন্ত তিতাস নদীর পাড় দিয়ে রাস্তা নির্মান, জাতীয় ইমরাতনীতি মেনে সকল ইমারত নির্মান করা এবং সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শহরে ট্রাকসহ ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ করার (পাঁচ দফা) দাবিতে বাম শক্তির উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে জেলা কমিউনিষ্ট পার্টি, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, রিক্সা ও ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন (বাম শক্তি) এর উদ্যোগে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে লাল পতাকা হাতে নিয়ে বাম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি রিক্সা ও ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যরা অংশ নেন।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক কমরেড সাজিদুল ইসলাম,৭২ এর সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠা জাতীয় কমিটির ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার আহবায়ক সৈয়দ মোহাম্মদ জামাল, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার সভাপতি কাজী মাসুদ আহমেদ, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক কমরেড মোঃ নজরুল ইসলাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা রিকসা ও ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য সচিব সাহেদ মিয়া।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রিকসা চালকরা খুবই গরীব ও খেটে খাওয়া মানুষ। তাদেরকে লাইসেন্স দিতে হবে। শহরের যানজটের জন্য রিকসাওয়ালারা দায়ী নয়। এর জন্য দায়ী হচ্ছে অপরিকল্পিত নগরায়ন। বক্তারা যানজট নিরসনের জন্য শহরের মেড্ডা থেকে ভাদুঘর পর্যন্ত তিতাস নদীর পাড় দিয়ে বিকল্প রাস্তা তৈরী করার এবং রিকসা শ্রমিকদের সরকারি মূল্যে রেশন এবং সরকারি হাসপাতালগুলোতে তাদেরকে বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, একটি রিকসার লাইসেন্স ফি ১১শ থেকে ১৫শ টাকা হলেও শহরের বাইরের রিকসার মালিকদের কাছ থেকে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা করে নেয়া হচ্ছে। এ অবস্থায় প্রকৃত রিকসা শ্রমিকরা লাইসেন্স না পেয়ে রিকসা নিয়ে শহরে বের হতে পারছে না।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌরসভায় গিয়ে মেয়রের কাছে গিয়ে ৫ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

Advertisement

Sorry, no post hare.

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com