৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ. ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

নাসিরনগরে প্রতিপক্ষের বাড়ি-ঘরে হামলা,লুটপাটের অভিযোগ

নাসিরনগর প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগর উপজেলার গোকর্ণ ইউনিয়নের জেঠাগ্রামে বেশকিছু বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাতে আসামী আটক করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত সাহাবুদ্দিন (২৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর গুজবে প্রতিপক্ষের লোকজনের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

খোজঁ নিয়ে জানা যায়, গত ১৮ এপ্রিল উপজেলার জেঠাগ্রামের সূচীউড়ায় নাগরের গোষ্ঠি ও বড়বাড়ির গোষ্ঠির লোকজনের মধ্যে তিতাস নদীর পাড়ে ধান মাড়াইকে কেন্দ্র করে সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশসহ ৬৫ জন আহত হয়। এসংর্ঘষের ঘটনায় পুলিশ এসল্ট মামলাসহ তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।এ পর্যন্ত ১২জনকে পুলিশ এসল্ট মামলায় গ্রেফতার ছাড়াও উভয় মামলায় বেশ কিছু আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার ঘটনার রাতে প্রতিপক্ষের লোকজন পুলিশ নিয়ে আসামী ধরার জন্য সুচীউড়া গ্রামে গেলে পুলিশ যখন বাড়ির ভেতর যায় তখন রাস্তায় দাড়িয়ে থাকা সাহাবুদ্দিনের উপর ইসহাক মিয়াসহ কয়েকজন হামলা চালায় একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়। আহত সাহাবুদ্দিককে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে জেলা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

এদিকে এলাকায় গুজব রটে আহত সাহাবুদ্দিন মারা যাওয়ার । এই গুজবকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বেশকিছু বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের লোকজন জানান,প্রতিপক্ষের লোকজন আমাদের বসতঘরে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট করে।হামলাকারীরা আমাদের গরু,ফ্রিজ,টিভি, টাকা পয়সা,স¦র্ণালস্কার লুট করে নিয়ে যায়।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক ছোয়াব আহমেদ হৃতুল জানান, নিহত হওয়ার গুজবে রাতে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর ঘটনা কে বা কার হামলা করেছে তা বলা মুশকিল। তবে পুলিশসহ আমি বেশ কিছু বাড়িঘর পরিদর্শন করে দেখেছি।

নাসিরনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক(ওসি)মো. সাজেদুর রহমান জানান, জঠাগ্রামে বেশকিছু বাড়িঘরে হামলা-ভাঙচুর ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। ক্ষতিগ্রস্থদের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।