১লা শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ. ১৬ই জুলাই, ২০২০ ইং

আখাউড়ায় ইদুর নিধন অভিযান ২০১৯ শুভ উদ্ভোধন

এনবি ডেস্ক:

আসুন, সম্পদ ও ফসল রক্ষায় সম্মিলিতভাবে ইদুর নিধন করি – এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আখাউড়া কৃষি সম্প্রসারন অফিসের উদ্যেগে উপজেলা হলরুমে কৃষি কর্মকর্তা জনাব শাহানা আক্তার সভাপতিত্বে ইদুর নিধন অভিযান ২০১৯ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্টিত হয়েছে।

এতে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব তাহমিনা আক্তার রেইনা,বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুল হাসান, সহকারী কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা – মোঃ জহিরুল হক। উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা – ইকবাল হোসেন খান, শামছুল হুদা, রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, জিয়াউর রহমান, আরো উপস্থিত ছিলেন ইদুর বিশেষজ্ঞ আহরন্দের জাকির হোসেন ,নবীনগরের আবু ছায়েদ প্রমূখ ।

কৃষি কর্মকর্তা শাহানা আক্তার বলেন- ইদুরের বিচরন ক্ষেত্র ফসলের ক্ষেত থেকে শুরু করে বাড়ির শোবার ঘর, অফিস আদালত পর্যন্ত সর্বত্র। আর তাই এদের ক্ষতির দিকটি অনেক বিস্তৃত। এরা মাঠের ফসল, গুদামজাত শস্য, ফল, শাকসবজি, সংরক্ষিত বীজ, কাপড়-চোপড়, কাগজ, লেপ-তোষক, ইত্যাদি কাটাকুটি করে আমাদের ক্ষতি করে।

২০১৩ সালের এক গভেষনা মতে এশিয়ায়, ইদুর বছরে যা ধান-চাল খেয়ে নষ্ট করে তা ১৮ কোটি মানুষের এক বছরের খাবারের সমান। আর শুধু বাংলাদেশে ইদুর ৫০ থেকে ৫৪ লাখ লোকের এক বছরের খাবার নষ্ট করে। একটি ইদুর প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৭ গ্রাম খাদ্য খেয়ে থাকে। এরা যা খায় তার ৪-৫ গুন নষ্ট করে।

সারা পৃথিবীতে প্রায় ৪১০০ টির মত স্তন্যপায়ী প্রজাতির সন্ধান পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ১৭০০ টির ইদুরের প্রজাতি। প্রজাতি ভেদে ইদুর ১৫-৪১ সেঃমিঃ লম্বা এবং ওজনে ১৫ – ৩২৬ গ্রাম হয়ে থাকে।

আমাদের দেশে যে প্রজাতির ইদুর দেখা যায় সেগুলোর মধ্যে নরওয়ে বা বাদামী ইদুর, বাতি বা সোলাই ইদুর, মাঠের কালো ইদুর, মাঠের বড় কালো ইদুর, মাঠের নেংটি ইদুর, নরম পশমযুক্ত ইদুর, এবং প্যাসিফিক ইদুর উল্লেখযোগ্য।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন – উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি জনাব বিল্লাল হোসেন খান।

উপজেলার সকল ইউনিয়নের কৃষক, সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন – আখাউড়া টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সেক্রেটারী- সাইফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক – বাদল আহাম্মদ খান, মাইটিভির সাংবাদিক জালাল হোসেন মামুন, দৈনিক বণিক বার্তার জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম রনি, মোহনা টিভির সাংবাদিক মোশারফ হোসেন, সাংবাদিক ময়নাল হক ভুইয়া, সাংবাদিক দ্বীন ইসলাম খান প্রমুখ।