৫ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ. ১৮ই জানুয়ারি, ২০২১ ইং

সরাইলের ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
সরাইল সদরের অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মোড় থেকে প্রাতঃবাজার পর্যন্ত সড়কের দু’পাশের ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে। সাধারণ মানুষের স্বস্থিতে চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। সরাইলের প্রধান সড়কটিকে যেকোন উপায়ে যানজট মুক্ত করতেই হবে। আইনশৃঙ্খলা সভার সম্মানিত সদস্যকে লাঞ্জিত করার বিষয়টিও কঠোরভাবে দেখতে হবে।

বিএডিসি মোড়কে সিএনজি অটোরিকশা ষ্ট্যান্ডমুক্ত করে নির্বাচনের কেন্দ্র পুনরায় সেখানে স্থানান্তর করার জোর প্রস্তাবও এসেছে। সরাইল-অরুয়াইল সড়কটি নির্মাণ করতে সাবেক এমপি মৃধা ও বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুরকে অনেক কষ্ট ও ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। সড়কটির কাজের অনিয়মরোধে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহন করার আহবান জানিয়েছেন রফিক ঠাকুর।

নির্বাহী কর্মকর্তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরাইল উপজেলা মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় উপরোল্লেখিত কথা গুলো বলেছেন বক্তারা। এ ছাড়াও অবৈধভাবে সরকারি জায়গা/খাল দখল, জুয়া মাদক ও আটক বাণিজ্য নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। বক্তব্য রাখেন-সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মৃধা আহমাদুল কামাল, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া,

সরাইল মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব খান, উপজেলা প্রকৌশলী মো. এমদাদুল হক, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার, রফিকুল ইসলাম খোকন, মো. শাহজাহান মিয়া, মো, রাজিবুর রহমান রাজ্জি, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. দ্বীন ইসলাম, মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, মো, সরাফত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মো. আনোয়ার হোসেন, পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন ও

উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম কানু। কমিটির উপদেষ্টা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর বলেন, সড়কের পাশ ও সড়ক দখল করে যত্রতত্র দোকান, দোকানের মালামাল সড়কে, হোটেলের ছুলা সড়কে এভাবে একটা উপজেলা চলতে পারে না। অতিদ্রুতই এসব দখলদারদের উচ্ছেদ করে সড়কটিতে যানজট মুক্ত করা হবে। কোন অনুরোধ ও তদবির কেউ করবেন না। এসব কোন কাজেও আসবে না।